সকল মেনু

সবশেষ

প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে একমত ভারত-কুয়েত

ভিটিভি বিডি ডেক্স

ভিটিভি বিডি ডেক্স

প্রকাশ : আগস্ট ২৯, ২০২৬
পড়তে: মিনিট
ফন্ট সাইজ:
0Shares

ভারত ও কুয়েত প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার করতে সম্মত হয়েছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত দুই দেশের যৌথ প্রতিরক্ষা কমিটির (জেডিসি) প্রথম বৈঠকে প্রশিক্ষণ, সামরিক মহড়া, সামরিক চিকিৎসা, স্টাফ পর্যায়ের আলোচনা, প্রতিরক্ষা শিল্প এবং গবেষণা ও উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে ঐকমত্য হয়। খবর গালফ নিউজ।

 

ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যৌথ প্রতিরক্ষা কমিটির প্রথম বৈঠকটি ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কুয়েত সফরের সময় স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

 

বৈঠকে ভারতের পক্ষে যৌথ সচিব অমিতাভ প্রসাদ এবং কুয়েতের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রায়েদ আলসাকরান যৌথভাবে সভাপতিত্ব করেন। ভারতীয় প্রতিনিধি দলে দেশটির তিন বাহিনী, প্রতিরক্ষা উৎপাদন বিভাগ, প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও), সশস্ত্র বাহিনীর চিকিৎসা সেবা এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা ছিলেন।

 

 

যৌথ প্রতিরক্ষা কমিটির বৈঠকের আগে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রায়েদ আলসাকরান নয়াদিল্লির জাতীয় যুদ্ধ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে যুদ্ধে নিহত বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

 

কুয়েতি প্রতিনিধি দল সফরের প্রথম দিনে নয়াদিল্লিতে ভারতের প্রতিরক্ষা খাতের সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর (ডিপিএসইউ) ভবন পরিদর্শন করে। সেখানে ভারতীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা হয়। সফরের দ্বিতীয় দিনেও কুয়েতি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে ভারতের প্রতিরক্ষা শিল্পের প্রতিনিধিদের একটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

 

ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘ভারত ও কুয়েত ঐতিহাসিক সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে ঐতিহ্যগতভাবে উষ্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক উপভোগ করে। দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬২ সালে।

 

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কুয়েত সফরের সময় দুই দেশের সম্পর্ক কৌশলগত অংশীদারত্বে উন্নীত করা হয়।

 

 

 

 

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, ভৌগোলিক নৈকট্য, ঐতিহাসিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক, সাংস্কৃতিক সাদৃশ্য এবং কুয়েতে বিপুলসংখ্যক ভারতীয় জনগোষ্ঠীর উপস্থিতি দুই দেশের দীর্ঘদিনের বহুমাত্রিক সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

 

প্রতিরক্ষা সহযোগিতার নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে ভারত ও কুয়েতের মধ্যে সামরিক পর্যায়ে যোগাযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

ফন্ট সাইজ:
0Shares

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।