সকল মেনু

সবশেষ

মূল্যস্ফীতি কমছে না কেন দায় কার?

ভিটিভি বিডি ডেক্স

ভিটিভি বিডি ডেক্স

প্রকাশ : আগস্ট ১৩, ২০২৬
পড়তে: মিনিট
ফন্ট সাইজ:
0Shares

বাজারদর, সরবরাহ সংকট, আমদানি ব্যয় ও মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাস্তব চিত্র

বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতি নিয়ে মানুষের অস্বস্তি এখনো কাটেনি। তবে একটি বিষয় শুরুতেই পরিষ্কার করা জরুরি—সাম্প্রতিক সরকারি হিসাবে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে। জুলাই ২০২৬-এ দেশের পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট মূল্যস্ফীতি ৮.৩২ শতাংশে নেমেছে, যেখানে জুনে ছিল ৯.১৬ শতাংশ। জুলাইয়ের হার গত আট মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। খাদ্য মূল্যস্ফীতিও কমেছে।

 

কিন্তু এখানেই তৈরি হচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—

মূল্যস্ফীতির হার কমলে সাধারণ মানুষের বাজারের খরচ কমছে না কেন?

কারণ মূল্যস্ফীতি কমার অর্থ পণ্যের দাম কমে যাওয়া নয়; বরং দাম বাড়ার গতি কমে যাওয়া। অর্থাৎ কোনো পণ্যের দাম আগেই অনেক বেড়ে গেলে, মূল্যস্ফীতি কমলেও সেই পণ্য আগের দামে ফিরে আসে না।

আর বাংলাদেশের মানুষের বর্তমান অসন্তোষের বড় অংশ এখানেই।

 

দাম বাড়ার গতি কমেছে, কিন্তু দাম কি কমেছে?
ধরা যাক, কোনো পণ্যের দাম এক বছরে ১০০ টাকা থেকে ১২০ টাকা হয়েছে। পরের বছর সেই পণ্যের দাম ১২০ থেকে ১২৯ টাকা হলে মূল্যস্ফীতির হার কমেছে।

কিন্তু মানুষের কাছে পণ্যটি এখনো ১০০ টাকার তুলনায় ২৯ শতাংশ বেশি দামি।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও একই বাস্তবতা দেখা যাচ্ছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ১২ মাসের গড় মূল্যস্ফীতি ৮.৬৮ শতাংশে নেমেছে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ১০.০৩ শতাংশ। কিন্তু সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি টানা চার বছর ধরে ৮ শতাংশের ওপরে রয়েছে।
অর্থাৎ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর যে চাপ তৈরি হয়েছে, সেটি একদিনে চলে যাওয়ার মতো নয়।

তাহলে মূল্যস্ফীতির পেছনে দায় কার?

এখানে একক কোনো পক্ষকে দায়ী করলে পুরো চিত্র পাওয়া যাবে না।

বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতির পেছনে রয়েছে সরবরাহ ব্যবস্থা, আমদানি ব্যয়, মুদ্রার বিনিময় হার, বাজার ব্যবস্থাপনা, উৎপাদন খরচ, পরিবহন ব্যয় এবং মানুষের মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশা—সবকিছুর সম্মিলিত প্রভাব।

তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো—কোন জায়গাগুলো সরকার সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, আর কোন জায়গাগুলোতে বাজারের স্বাভাবিক প্রভাব কাজ করে?

 

১. সরবরাহ ব্যবস্থার দুর্বলতা

বাংলাদেশের বাজারে কোনো পণ্যের উৎপাদন বা আমদানি পর্যাপ্ত থাকলেও সেটি ভোক্তার কাছে পৌঁছানোর পথে বিভিন্ন স্তর রয়েছে।

কৃষক → পাইকার → আড়তদার → পরিবহন → খুচরা বিক্রেতা → ভোক্তা।

এই দীর্ঘ সরবরাহ ব্যবস্থার প্রতিটি পর্যায়ে খরচ যুক্ত হয়।

ফলে কৃষকের কাছ থেকে কম দামে কেনা কোনো পণ্য শহরের বাজারে গিয়ে অনেক বেশি দামে বিক্রি হতে পারে।

এখানে প্রশ্ন ওঠে—

কৃষক কি বেশি দাম পাচ্ছেন, নাকি মধ্যস্বত্বভোগী বেশি লাভ করছেন?

যদি কৃষক ও ভোক্তার মধ্যে দামের বিশাল ব্যবধান থাকে, তাহলে শুধু বাজারে অভিযান চালিয়ে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান পাওয়া কঠিন।

প্রয়োজন স্বচ্ছ সরবরাহ ব্যবস্থা, সংরক্ষণ সুবিধা, সরাসরি বাজার সংযোগ এবং প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি।

২. আমদানির খরচ ও ডলারের প্রভাব

বাংলাদেশের অনেক খাদ্য ও শিল্পপণ্য সরাসরি বা পরোক্ষভাবে আমদানিনির্ভর।

গম, ভোজ্যতেল, ডাল, কাঁচামাল, জ্বালানি—বিভিন্ন পণ্যের আন্তর্জাতিক দাম এবং ডলারের বিনিময় হার বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে প্রভাব ফেলে।

আমদানি ব্যয় বাড়লে ব্যবসায়ীদের খরচ বাড়ে। সেই বাড়তি খরচের একটি অংশ শেষ পর্যন্ত ভোক্তার ওপর পড়ে।

অর্থাৎ বাজারে একটি পণ্যের দাম বাড়ার পেছনে শুধু দেশীয় ব্যবসায়ীকে দায়ী করলে পুরো অর্থনৈতিক চেইনটি দেখা হয় না।

তবে একই সঙ্গে প্রশ্ন থাকে—

আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমার পর বাংলাদেশি বাজারে সেই সুবিধা কত দ্রুত পৌঁছায়?

এখানেই বাজার ব্যবস্থাপনার দক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ।

৩. জ্বালানি ও পরিবহন ব্যয়

পণ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে বাজারে পৌঁছানো পর্যন্ত প্রায় প্রতিটি ধাপে জ্বালানি প্রয়োজন।

কৃষিতে সেচ, কারখানায় উৎপাদন, ট্রাক পরিবহন, হিমাগার, দোকান—সব জায়গাতেই জ্বালানি খরচ রয়েছে।

ফলে গ্যাস, বিদ্যুৎ বা জ্বালানি তেলের খরচ বাড়লে তার প্রভাব শেষ পর্যন্ত পণ্যের দামে পড়তে পারে।

এ কারণে সাম্প্রতিক বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটও মূল্যস্ফীতির জন্য একটি ঝুঁকি। উৎপাদন ব্যাহত হলে সরবরাহ কমতে পারে এবং ব্যবসার পরিচালন ব্যয় বাড়তে পারে।

৪. বাজারে প্রতিযোগিতা কতটা কার্যকর?

মূল্যস্ফীতি নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিতর্ক হয় এই জায়গায়।

একই পণ্য বিভিন্ন দোকানে ভিন্ন দামে বিক্রি হওয়া, পাইকারি ও খুচরা দামের বড় ব্যবধান এবং সরবরাহের ওপর কিছু ব্যবসায়ীর নিয়ন্ত্রণ—এসব নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ রয়েছে।

তবে প্রতিটি মূল্যবৃদ্ধিকে “সিন্ডিকেট” বলে ব্যাখ্যা করাও ঠিক নয়।

কারণ মূল্য নির্ধারণে উৎপাদন খরচ, আমদানি মূল্য, পরিবহন, কর, ডলার, চাহিদা ও সরবরাহ—সবকিছু কাজ করে।

তবে যেখানে কৃত্রিমভাবে সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ বা অতিরিক্ত মুনাফা নেওয়ার প্রমাণ রয়েছে, সেখানে কার্যকর প্রতিযোগিতা আইন ও বাজার নজরদারি জরুরি।

৫. সরকারের দায় কোথায়?

সরকারের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো এমন একটি বাজার ব্যবস্থা তৈরি করা যেখানে—

পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকবে;
আমদানি প্রক্রিয়া দ্রুত হবে;
বাজারে প্রতিযোগিতা থাকবে;
কৃত্রিম সংকট তৈরি করা কঠিন হবে;
কৃষক ন্যায্য দাম পাবেন;
ভোক্তা অস্বাভাবিক দাম দেবেন না।

বাংলাদেশ ব্যাংকও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর মুদ্রানীতি বজায় রেখেছে। জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৬ মেয়াদের মুদ্রানীতিতে নীতিগত সুদের হার ১০ শতাংশ রাখা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লক্ষ্য FY2026-27-এ মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনা।

কিন্তু শুধু সুদের হার বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।

কারণ সুদের হার চাহিদা কমাতে পারে, কিন্তু বাজারে সবজির সরবরাহ বাড়াতে পারে না।

৬. বাংলাদেশ ব্যাংকেরও কি দায় আছে?

এখানে বিষয়টি একটু জটিল।

মুদ্রানীতির মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক অতিরিক্ত অর্থপ্রবাহ ও চাহিদাজনিত মূল্যস্ফীতির চাপ কমানোর চেষ্টা করতে পারে।

কিন্তু খাদ্য সরবরাহ কমে গেলে, আমদানি ব্যয় বেড়ে গেলে বা জ্বালানির দাম বাড়লে শুধু সুদের হার দিয়ে সেই সমস্যা সমাধান করা যায় না।

অর্থাৎ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন—

মুদ্রানীতি + রাজস্বনীতি + বাজার ব্যবস্থাপনা + খাদ্য সরবরাহ + আমদানি নীতি।

একটি ব্যবস্থার ওপর পুরো দায়িত্ব দিলে ফল সীমিত হতে পারে।

৭. ব্যবসায়ীদের দায় কতটা?

ব্যবসায়ীদেরও দায়মুক্তি দেওয়ার সুযোগ নেই।

যদি কোনো ব্যবসায়ী বাজার পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কৃত্রিমভাবে পণ্য আটকে রাখেন, অস্বাভাবিক মুনাফা করেন বা ভোক্তাকে জিম্মি করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা প্রয়োজন।

কিন্তু পুরো ব্যবসায়ী সমাজকে মূল্যস্ফীতির জন্য দায়ী করাও সমাধান নয়।

কারণ ব্যবসার খরচ বাড়লে স্বাভাবিকভাবেই পণ্যের দাম বাড়তে পারে।

তাই সরকারের কাজ হওয়া উচিত—

ব্যবসা বন্ধ করা নয়, অন্যায্য ব্যবসা বন্ধ করা।

৮. মানুষের আয় কি দামের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়ছে?

এটাই সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

মূল্যস্ফীতি ৮ শতাংশ হলেও যদি একজন মানুষের আয় মাত্র ৫ শতাংশ বাড়ে, তাহলে তার বাস্তব ক্রয়ক্ষমতা কমে যায়।

এই কারণে মূল্যস্ফীতি নিয়ে শুধু CPI-এর সংখ্যা দেখলে মানুষের বাস্তব জীবন পুরোপুরি বোঝা যায় না।

একজন নিম্নআয়ের মানুষের আয়ের বড় অংশ যদি খাদ্য, বাসাভাড়া, পরিবহন ও চিকিৎসায় চলে যায়, তাহলে সামান্য মূল্যবৃদ্ধিও তার ওপর বড় চাপ তৈরি করে।

অন্যদিকে উচ্চআয়ের মানুষের ক্ষেত্রে একই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব তুলনামূলক কম হতে পারে।

তাই মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে নীতি তৈরি করার সময় আয়ভেদে মানুষের ওপর প্রভাব বিবেচনা করাও গুরুত্বপূর্ণ।

 

৯. মূল্যস্ফীতি কমাতে সবচেয়ে জরুরি কী?

শুধু বাজারে গিয়ে জরিমানা করলে সাময়িক ফল পাওয়া যেতে পারে।

দীর্ঘমেয়াদে প্রয়োজন—

১. কৃষি উৎপাদন ও সরবরাহ বাড়ানো

খাদ্যপণ্যের বাজারে স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।

২. সরাসরি কৃষক–ভোক্তা সংযোগ

মধ্যস্বত্বভোগীর স্তর কমানো গেলে কৃষক ও ভোক্তা—দুই পক্ষই লাভবান হতে পারেন।

৩. আমদানি সহজ করা

যেসব পণ্যের ঘাটতি রয়েছে, সেগুলোর আমদানি দ্রুত করার ব্যবস্থা থাকতে হবে।

৪. বাজার তথ্য প্রকাশ

পাইকারি ও খুচরা দামের পার্থক্য নিয়মিত প্রকাশ করা যেতে পারে।

৫. প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা

কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের হাতে অতিরিক্ত বাজার নিয়ন্ত্রণ চলে যাওয়া ঠেকাতে হবে।

৬. জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ স্থিতিশীল করা

উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় নিয়ন্ত্রণে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৭. নিম্নআয়ের মানুষের সুরক্ষা

শুধু মূল্যস্ফীতি কমানোর চেষ্টা নয়, দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের ক্রয়ক্ষমতা রক্ষার ব্যবস্থাও দরকার।

 

তাহলে দায় কার?

এই প্রশ্নের সবচেয়ে সৎ উত্তর হলো—

দায় একা কারও নয়, আবার কারও দায় নেই—এটাও বলা যাবে না।

সরকারের দায় আছে বাজার ব্যবস্থাপনা ও নীতির জায়গায়।

ব্যবসায়ীদের দায় আছে অন্যায্য মুনাফা ও কৃত্রিম সংকট তৈরির ক্ষেত্রে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দায় আছে মুদ্রা ও ঋণ ব্যবস্থাপনার জায়গায়।

আর বৈশ্বিক বাজারের প্রভাবও রয়েছে আমদানি ব্যয় ও জ্বালানি দামের মাধ্যমে।

তবে শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের কাছে এসব আলাদা আলাদা ব্যাখ্যা নয়—বাজারে কত টাকা দিয়ে এক কেজি চাল, এক লিটার তেল, এক কেজি মাংস বা এক মাসের বাসাভাড়া দিতে হচ্ছে, সেটিই বাস্তবতা।

নেটিজেনদের মতামত

বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের আলোচনায় শুধু একটি সংখ্যা দেখলে হবে না।

জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি ৮.৩২ শতাংশে নেমে আসা অবশ্যই ইতিবাচক সংকেত।
কিন্তু চার বছর ধরে মূল্যস্ফীতি ৮ শতাংশের ওপরে থাকার পর মানুষের ওপর যে দীর্ঘমেয়াদি চাপ তৈরি হয়েছে, তা দ্রুত দূর হবে না।

তাই সরকারের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো—

মূল্যস্ফীতির হার কমানো নয় শুধু, মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ও সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসা।

কারণ ৮ শতাংশ মূল্যস্ফীতি কম হতে পারে আগের ১০ শতাংশের তুলনায়, কিন্তু একজন পরিবারের কাছে বাজারের ব্যাগ যদি এখনো আগের চেয়ে অনেক বেশি খরচের হয়, তাহলে অর্থনীতির স্বস্তি তার ঘরে পৌঁছায়নি।

সুতরাং দায় খুঁজতে হলে শুধু ব্যবসায়ীর দিকে আঙুল তোলা বা শুধু সরকারের নীতিকে দায়ী করা যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন উৎপাদন থেকে বাজার পর্যন্ত পুরো সরবরাহব্যবস্থার সংস্কার।

প্রশ্ন তাই শুধু—“মূল্যস্ফীতি কমছে কি না?”

বরং আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—

সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার খরচ কবে সত্যিই কমবে?

ফন্ট সাইজ:
0Shares

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।