সকল মেনু

সবশেষ

টানা দুই বছর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনে ছিলাম: অনুপমা পরমেশ্বরন

ভিটিভি বিডি ডেক্স

ভিটিভি বিডি ডেক্স

প্রকাশ : আগস্ট ১৩, ২০২৬
পড়তে: মিনিট
ফন্ট সাইজ:
0Shares

দক্ষিণ ভারতীয় অভিনেত্রী অনুপমা পরমেশ্বরন জানিয়েছেন, একটি সম্পর্কে টানা দুই বছর মানসিক ও শারীরিকভাবে ভেঙে পড়ার অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছেন তিনি। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে দেওয়া একটি পোস্টের মাধ্যমে জীবনের সেই অধ্যায় থেকে বেরিয়ে আসার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন অভিনেত্রী। এবার এক সাক্ষাৎকারে জানালেন, সেই পোস্টের পেছনে ছিল দীর্ঘদিনের যন্ত্রণা, আত্মঅনুসন্ধান এবং সেরে ওঠার চেষ্টা।

 

অনুপমা ‘আই অ্যাম উইথ ধন্য ভার্মা’ অনুষ্ঠানে নিজের অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেছেন। কার সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন, তাঁর নাম অবশ্য প্রকাশ করেননি। তবে অনুপমার ভাষ্য, ওই সম্পর্কে থাকাকালে তিনি নিজেকে ক্রমেই হারিয়ে ফেলছিলেন। পরে নিজেকে ফিরে পাওয়ার পথেই হাঁটেন।

অনুপমা বলেন, ‘ওই একটি পোস্টের পেছনে আছে দুই বছরের যন্ত্রণা, শারীরিক ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়ার অভিজ্ঞতা।’ তাঁর দাবি, হঠাৎ আবেগের বশে তিনি পোস্টটি দেননি; বরং অনেকটা সময় নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতাকে মেনে নেওয়া এবং সেরে ওঠার পরই প্রকাশ্যে কথা বলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

 

আমি ধীরে ধীরে ছোট হয়ে যাচ্ছিলাম
নিজের অভিজ্ঞতাকে অনুপমা সরাসরি ‘নার্সিসিস্টিক অ্যাবিউজ’ বা আত্মমুগ্ধতাজনিত মানসিক নির্যাতন হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, এ ধরনের নির্যাতনের অভিজ্ঞতা নিয়ে অভিনেত্রী ম্যাডোনা সেবাস্তিয়ানের একটি ইনস্টাগ্রাম রিল দেখেছিলেন। সেটি দেখার পর তাঁর শরীর কাঁপতে শুরু করে।
কারণ, রিলটিতে যে অভিজ্ঞতার কথা বলা হচ্ছিল, সেটি তাঁর নিজের জীবনের সঙ্গে মিলে যাচ্ছিল।

 

অনুপমার মতে, নার্সিসিস্টিক অ্যাবিউজ নিয়ে মানুষের প্রতিক্রিয়াও এক রকম নয়। কেউ নিজে এ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছেন, কেউ পরিবারের সদস্য বা বন্ধুর এমন অভিজ্ঞতা দেখেছেন। আবার কেউ শুধু শব্দটি শুনেছেন, কিন্তু বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানেন না। আরেকটি শ্রেণি আছে, যারা বিষয়টিকে নারী-পুরুষের লড়াই হিসেবে দেখে অনুমানের ভিত্তিতে নেতিবাচক মন্তব্য করে।
তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শ্রেণি হিসেবে অনুপমা উল্লেখ করেছেন তাঁদের, যাঁরা নিজেরাই এমন সম্পর্কে আছেন, কিন্তু এখনো বুঝতে পারেননি যে তাঁরা নির্যাতনের শিকার।

অনুপমার ভাষায়, ‘যাঁরা এর মধ্যে থেকেছেন, কিন্তু এখনো সেটা শনাক্ত করতে পারেননি, তাঁদের সঙ্গেই আমি কথা বলতে চাই। এই শ্রেণিই সবচেয়ে বিপজ্জনক।

 

 

ফন্ট সাইজ:
0Shares

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।