সকল মেনু

সবশেষ

পেন্টাগনের গোপন প্রতিবেদন

ইরানি হামলায় মার্কিন ঘাঁটিতে ধ্বংস শত শত ভবন ও ড্রোন

ভিটিভি বিডি ডেক্স

ভিটিভি বিডি ডেক্স

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
পড়তে: মিনিট
ফন্ট সাইজ:
0Shares

ইরানের সঙ্গে সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ঠিক কতখানি ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে, পেন্টাগনের এক গোপন প্রতিবেদনে তার এক চাঞ্চল্যকর চিত্র প্রকাশ পেয়েছে।

এতদিন ওয়াশিংটন সবকিছু আড়াল করার চেষ্টা করলেও, প্রতিরক্ষা বিভাগের ইন্সপেক্টরের সাধারণ কার্যালয়ের এই নথিতে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন শক্তির বড় ধরনের বিপর্যয়ের তথ্য সামনে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত চলা এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র শত শত ভবন ও সামরিক স্থাপনা হারানোর পাশাপাশি কমপক্ষে ৩০টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন এবং বহু যুদ্ধবিমান খুইয়েছে।

 

যুদ্ধের এই চার মাসেই শুধু অস্ত্র পেছনে খরচ হয়েছে প্রায় ২২ বিলিয়ন ডলার, আর মোট ব্যয় ছাড়িয়ে গেছে ৩৩ বিলিয়ন ডলার। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যতই বলুন না কেন যে তাদের অস্ত্রভাণ্ডার অফুরন্ত, পেন্টাগনের এই প্রতিবেদনে বরং অস্ত্র ঘাটতি এবং সাপ্লাই চেইনে বড় ধরনের সংকটের কথা স্বীকার করা হয়েছে। ইরান ও তাদের মিত্রদের লাগাতার হামলায় কুয়েত, সৌদি আরব, ইরাক এবং জর্ডানসহ উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে থাকা শত শত অবকাঠামো ধূলিসাৎ হয়েছে।

 

 

হামলায় সরাসরি সংঘর্ষে অন্তত ১১ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং চার শতাধিক সেনা আহত হয়েছেন। এছাড়া আকাশে এবং মাটিতে ধ্বংস হওয়া সামরিক যানের তালিকায় রয়েছে এফ-১৫ই ফাইটার জেট, অত্যাধুনিক এফ-৩৫এ স্টিলথ বিমান, রিফুয়েলিং ট্যাংকার এবং বিভিন্ন ধরনের হেলিকপ্টার। শুধু সামরিক ঘাঁটিয়েই নয়, ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা মার্কিন কূটনৈতিক মিশন ও দূতাবাসগুলোতেও দফায় দফায় হামলা হয়েছে। এসব কূটনৈতিক স্থাপনা মেরামত ও সুরক্ষাতেই খরচ হয়েছে প্রায় ১৮৪ মিলিয়ন ডলার।

 

 

বর্তমানে হরমুজ প্রণালি প্রায় বন্ধ থাকা অবস্থায় দুই দেশের এই কূটনৈতিক ও সামরিক টানাপোড়েন মধ্যপ্রাচ্যকে আরও বেশি অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে।

 

 

সূত্র: আল-জাজিরা।

ফন্ট সাইজ:
0Shares

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।