সকল মেনু

সবশেষ

বেসরকারি ব্যাংকের দখলে সিংহভাগ প্রবাসী আয়, শীর্ষে ইসলামী ব্যাংক

জুলাইয়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২.৮৬ বিলিয়ন ডলার

ভিটিভি বিডি ডেক্স

ভিটিভি বিডি ডেক্স

আপডেট : আগস্ট ২, ২০২৬
পড়তে: মিনিট
ফন্ট সাইজ:
0Shares

‎চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুতেই দেশের অর্থনীতির জন্য স্বস্তির খবর নিয়ে এসেছে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জুলাই মাসে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে এসেছে ২ দশমিক ৮৫৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এক বছর আগে ২০২৫ সালের একই মাসে এ পরিমাণ ছিল ২ দশমিক ৪৭৮ বিলিয়ন ডলার। ফলে বছরের ব্যবধানে জুলাই মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৫.৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।

অর্থবছরের প্রথম মাসেই এ ধরনের প্রবৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ, আমদানি ব্যয় নির্বাহ এবং সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতার জন্য ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

.

.

‎বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা যায়, পুরো জুলাই মাসজুড়ে ধারাবাহিকভাবে রেমিট্যান্স প্রবাহ অব্যাহত ছিল। মাসের শেষ ছয় দিনে, অর্থাৎ ২৬ থেকে ৩১ জুলাই, দেশে এসেছে ৫৫৯.২৩ মিলিয়ন ডলার। এর আগে ১-৪ জুলাই এসেছে ৩৪৮.৭৪ মিলিয়ন ডলার, ৫-১১ জুলাই ৮০৫.৩৪ মিলিয়ন ডলার, ১২-১৮ জুলাই ৬৪৮.৫১ মিলিয়ন ডলার এবং ১৯-২৫ জুলাই এসেছে ৪৯৬.৮৫ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ মাসজুড়ে প্রবাসীরা নিয়মিতভাবে বৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠিয়েছেন।

‎রেমিট্যান্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম প্রধান উৎস। রপ্তানি আয়ের পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো অর্থ দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ, আমদানি ব্যয় নির্বাহ, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা এবং আর্থিক বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে অর্থবছরের প্রথম মাসে দ্বি-অঙ্কের প্রবৃদ্ধি নীতিনির্ধারকদের জন্য একটি ইতিবাচক সূচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

.

.

‎বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে ব্যাংকভিত্তিক রেমিট্যান্স সংগ্রহে আবারও শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। ব্যাংকটির মাধ্যমে এসেছে ৪৬ কোটি মার্কিন ডলার, যা দেশের যেকোনো একক ব্যাংকের মধ্যে সর্বোচ্চ। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, যার মাধ্যমে এসেছে ৩৩ কোটি ডলার। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি, যার মাধ্যমে এসেছে ২৭ কোটি ডলার। এরপর রয়েছে অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, যার মাধ্যমে এসেছে ২৬ কোটি ডলার এবং ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি, যার মাধ্যমে এসেছে ২২ মিলিয়ন ডলার।

.

.

‎এছাড়া সোনালী ব্যাংক পিএলসি ১২ কোটি ডলার, সিটি ব্যাংক পিএলসি ১২ কোটি ডলার, ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি ১১ কোটি ডলার, ঢাকা ব্যাংক পিএলসি ১০ কোটি ডলার এবং ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসি ১০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স সংগ্রহ করেছে। এসব ব্যাংকের শক্তিশালী প্রবাসী ব্যাংকিং নেটওয়ার্ক এবং আন্তর্জাতিক এক্সচেঞ্জ হাউসের সঙ্গে কার্যকর অংশীদারিত্ব রেমিট্যান্স আহরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

 

 

…………………………………………………

ফন্ট সাইজ:
0Shares

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।