সকল মেনু

সবশেষ

এক প্রাসাদ থেকে অন্য প্রাসাদে সৌদি যুবরাজ, নিরাপত্তা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

ভিটিভি বিডি ডেক্স

ভিটিভি বিডি ডেক্স

প্রকাশ : অক্টোবর ১৩, ২০২৬
পড়তে: ২ মিনিট
ফন্ট সাইজ:
0Shares

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলা জোরালো হওয়ায় সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। গত মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) একটি জাতীয় রক্তদান কর্মসূচিতে রক্ত দিতে দেখা গিয়েছিল তাকে। এরপর থেকে তিনি আর জনসমক্ষে আসেননি। এরই মধ্যে নিরাপত্তা জোরদার করে তাকে এক প্রাসাদ থেকে অন্য প্রাসাদে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে খবর প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।

প্রতিবেদনটিতে যুবরাজের চলাফেরা সম্পর্কে অবগত কয়েকজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ৪১ বছর বয়সি

মোহাম্মদ বিন সালমানকে কড়া নিরাপত্তাবেষ্টিত এবং বাঙ্কার-সুবিধাসম্পন্ন একাধিক প্রাসাদে রাখা হচ্ছে। তার নিরাপত্তায় নিয়োজিত রয়েছে বিশেষভাবে বাছাই করা একটি দল।

সৌদি আরব ও ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের মধ্যে সংঘাত তীব্র হওয়ার পাশাপাশি নিরাপত্তাঝুঁকি বাড়তে থাকায় এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এক দশকের মধ্যে ভয়াবহ হামলা

গত শনিবার (১০ অক্টোবর) সৌদি আরব গত এক দশকের মধ্যে অন্যতম ভয়াবহ হামলার মুখে পড়ে। রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথিদের ছোড়া অন্তত একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এতে অন্তত ১৩ জন নিহত এবং ৩০০ জন আহত হন। আহতদের অনেকের অবস্থা গুরুতর।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে হামলার বিষয়ে অবহিত কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংঘাতগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় অঞ্চলে তার মিত্রদের ওপর চালানো হামলাগুলোর মধ্যে এটি ছিল সবচেয়ে প্রাণঘাতী।

হামলার পর থেকে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বন্ধ রয়েছে। গত পাঁচ দিনে বিমানবন্দরটি চারবার হামলার শিকার হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

হামলার ভয়াবহতা বিবেচনায় সৌদি আরবের জ্বালানিমন্ত্রী প্রিন্স আবদুলআজিজ বিন সালমান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, দেশটির জবাবও হবে ‘সমান কঠোর’।

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুথিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র অংশ নিতে পারে কি না, তা বিবেচনা করছেন বলে জানিয়েছেন। সৌদি আরবের মক্কা চুক্তিভুক্ত মিত্ররাও রিয়াদের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।

সৌদি আরব ও হুথিদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সংঘাত চলছে। ২০১৫ সালে ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে দেশটির আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন দিতে সামরিক হস্তক্ষেপ করে সৌদি আরব। এরপর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে লড়াই আরও তীব্র হয়।

২০২২ সালে দুই পক্ষের মধ্যে একটি নাজুক যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তবে চলতি বছরের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানবিরোধী যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সেই সমঝোতা ভেঙে পড়ে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ফন্ট সাইজ:
0Shares

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।