প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১৯ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে ‘মডেল খাল’ উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
আগামী বছর পরীক্ষামূলকভাবে দেশের ২০টি খালকে ‘মডেল খাল’ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।
এসব খালে কেবল পানি নিষ্কাশন ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা নয়, খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণ, মাছ চাষ ও হাঁস পালনের মতো সমন্বিত কার্যক্রমও যুক্ত করা হবে। পরবর্তী সময়ে এই মডেল দেশের বিভিন্ন এলাকায় সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব খালে বৃষ্টির পানি ধরে রাখা ও নিষ্কাশনের ব্যবস্থাও থাকবে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, খাল খনন বর্তমান সরকাররে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি। শুষ্ক মওসুমে চাষাবাদ, বর্ষা মওসুমে পানি নিষ্কাশন, খালে মাছ ও খালপাড়ে গাছ লাগানের মাধ্যমে এ কর্মসূচি গ্রামীণ জনজীবনে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসবে।
রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ডিআরআরও (জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা) ও পিআইও (প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা) সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে কথা বলছিলেন আসাদুল হাবিব দুলু।
এ সময় গ্রামীণ অর্থনীতিতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও মন্ত্রণালয় ‘প্রাণচাঞ্চল্য এনেছে’ বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী।
তিনি বলেন, কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য, কাবিটা (কাজের বিনিময়ে টাকা), টি,আর (টেস্ট রিলিফ), জিআর( জেনারেল রিলিফ), ভিজিএফ (ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং), ও খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে প্রান্তিক পর্যায়ে উন্নয়ন যেমন সাধিত হয়েছে, তেমনি আর্থিক প্রবাহ প্রান্তিক পর্যায়ে সঞ্চারিত হয়েছে।
সম্মেলনে সারা দেশের ডিআরআরও এবং পিআইওরা অংশ নেন।
তাদের উদ্দেশে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন বলেন, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) কোনো টাকা যাতে ফেরত না যায় এবং অর্থের অপচয় যাতে না হয় সে ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমান।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।