সারা দেশে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের বিরোধের জেরে বুধবার সকালে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে এই দুটি সংগঠনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে সভাপতিসহ ৫ জন আহত হওয়ার দাবি করেছে ছাত্রশিবির।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকাল ১০টায় গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ‘অদম্য জুলাই’ নামে ক্যাম্পাসে র্যালি বের করে ছাত্রশিবির। র্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ নম্বর গেটে পৌঁছালে ‘ছাত্রদলের হামলায়’ তা পণ্ড হয়ে যায়। র্যালি থেকে কয়েকজন বহিরাগতকে ধরে এনে মারধর করেন ছাত্রদল কর্মীরা। এ সময় দুপক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়।
পরে ক্যাম্পাসসংলগ্ন ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ করেন।
ছাত্রশিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া ইসলাম বলেন, তারা বুধবার সকালে ‘অদম্য জুলাই’ মিছিল বের করেন। মিছিলটি ৪ নম্বর ভিসি গেট পর্যন্ত গেলে ছাত্রদল হামলা চালায়। তাদের মিছিলে কোনো বহিরাগত ছিলেন না। ছাত্রদল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বহিরাগত ঢুকিয়ে পরিকল্পিতভাবে এটি করেছে। হামলায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবিরের সভাপতি মনিরুল ইসলাম, আল আমিন, হাফিজুর রহমান, শাহিনসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘শিবির ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল করার জন্য বহিরাগতদের নিয়ে মিছিল করতে চেয়েছিল। ছাত্রদল তাদের প্রতিরোধ করে বের করে দিয়েছে। উপাচার্যকে জানানো হয়েছে, ক্যাম্পাসে কোনো গুপ্ত সংগঠন থাকতে পারবে না।’
বরিশাল মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বেলাল হোসেন জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের মধ্যে ঝামেলা হয়েছে। খবর পেয়ে তিনিসহ বিপুলসংখ্যক পুলিশ সেখানে উপস্থিত হন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।