সকল মেনু

সবশেষ

যুক্তরাষ্ট্র-চীন উত্তেজনার মাঝেই ট্রাম্প-শির বৈঠক

ভিটিভি বিডি ডেক্স

ভিটিভি বিডি ডেক্স

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
পড়তে: ২ মিনিট
ফন্ট সাইজ:
0Shares

ওয়াশিংটনে তিন দিনের জমকালো রাষ্ট্রীয় সফর শেষ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনফিং।

হোয়াইট হাউসের বরাতে জানা যায়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই সংক্রান্ত যেকোনো অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি বা ঝুঁকি এড়াতে একটি বিশেষ ‘যোগাযোগ মাধ্যম’ বা চ্যানেল খুলতে রাজি হয়েছে দুই দেশ। ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত শীর্ষ বৈঠকের পরই এই বড় ঘোষণা আসে।

এই বৈঠকে প্রযুক্তি ও বাণিজ্য থেকে শুরু করে ইরানের স্থবির যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়েও খোলামেলা কথা বলেছেন দুই নেতা। বৈঠকের পর তারা জানিয়েছেন, চলতি বছর চীন ও যুক্তরাষ্ট্রে হতে যাওয়া আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তারা আরও দুই দফা বৈঠকে মিলিত হবেন। তবে আল জাজিরা জানায়, বৈঠকে জাঁকজমক ও আনুষ্ঠানিকতা বেশি থাকলেও বড় ধরনের কোনো যুগান্তকারী অগ্রগতি দেখা যায়নি।

আলোচনার অংশ হিসেবে আগামী নভেম্বরে শেষ হতে যাওয়া বাণিজ্য চুক্তির সময়সীমা বাড়িয়ে আগামী জানুয়ারি পর্যন্ত করা হয়েছে, যাতে দুই দেশ আলোচনার জন্য আরও কিছুটা সময় পায়। সফর শেষে ট্রাম্প জানান, এই বৈঠক সি চিন পিংয়ের সাথে তার ব্যক্তিগত সম্পর্ককে আরও মজবুত করেছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য দীর্ঘ মেয়াদে সুফল বয়ে আনবে। অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং দুই দেশের সম্পর্ককে ‘সুস্থ প্রতিযোগিতা’ হিসেবে দেখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এআই প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার ও তা সঠিকভাবে পরিচালনার গুরুদায়িত্ব দুই পরাশক্তিরই রয়েছে।

বৈঠকে তাইওয়ান ইস্যু অত্যন্ত সতর্কতার সাথে মোকাবিলা করার জন্য ট্রাম্পকে তাগিদ দিয়েছেন সি চিন পিং। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য, ইউক্রেন ও কোরিয় উপদ্বীপের পরিস্থিতি নিয়েও কথা হয়েছে। বাণিজ্য চুক্তির অংশ হিসেবে আগামী দুই বছরে অন্তত ১ কোটি মেট্রিক টন মার্কিন কয়লা আমদানি করবে চীন এবং তিন হাজার কোটি ডলারের অসংবেদনশীল পণ্যে শুল্ক সুবিধা দেওয়া হবে। এছাড়া উপহার হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের একটি চিড়িয়াখানায় দুটি পান্ডা পাঠানোর কথাও রয়েছে।

সফরে কেবল রাজনৈতিক বৈঠকই নয়, বরং ছিল জাঁকজমকপূর্ণ রাষ্ট্রীয় ভোজসভা, সামরিক কুচকাওয়াজ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহাসিক দলিলপত্র দেখার সুযোগ। ট্রাম্প রসিকতা করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বয়স মাত্র আড়াই শ বছর হলেও চীনের ইতিহাস প্রায় ছয় হাজার বছরের পুরনো।

সব মিলিয়ে এই বৈঠকের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হলো দুই দেশের মধ্যে আলোচনার দরজা খোলা রাখা। আগামী নভেম্বরে চীনের শেনজেনে এপেকের শীর্ষ সম্মেলন এবং ডিসেম্বরে মিয়ামিতে জি-২০ সম্মেলনে আবারও মুখোমুখি বসবেন এই দুই বিশ্বনেতা।

 

সূত্র: আল-জাজিরা।

ফন্ট সাইজ:
0Shares

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।