ভোটেকোশি নদীতে ভয়াবহ বন্যার কারণে নেপালের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো আপাতত বন্ধ। এ কারণে ভারতের গ্রিডের মাধ্যমে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানিও বন্ধ হয়ে গেছে।
বর্ষা মৌসুমে নেপাল গড়ে প্রায় ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করতো। বর্তমানে তা কমে প্রায় ৬৫০ মেগাওয়াটে দাঁড়িয়েছে। দেশটির চিলিমে ও ত্রিশূলী প্রকল্প থেকে ভারত হয়ে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি করা হতো। গত সপ্তাহে বন্যার পর এ দুটি প্রকল্পের উৎপাদন বন্ধ আছে।
চিলিমে থেকে ভারতে ২১ দশমিক ৪ এবং ত্রিশূলী থেকে ১৮.৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করা হতো।
বাংলাদেশে রপ্তানি করা বিদ্যুতের বিপরীতে নেপাল মার্কিন ডলারে অর্থ পায়। দেশটির বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক দির্ঘায়ু কুমার শ্রেষ্ঠা জানিয়েছেন, বর্তমানে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানির পরিমাণ শূন্য। সেখানে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী দুটি প্রকল্পই ক্ষতিগ্রস্ত। তাই বিকল্প হিসেবে অন্য একটি প্রকল্প থেকে বিদ্যুৎ পাঠানোর অনুমতি দিতে ভারতকে অনুরোধ করা হয়েছে।
বন্যার পর থেকে নেপালের ১২টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পেই বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ আছে। বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ সানজেন, আপার সানজেন ও সালাসুঙ্গি প্রকল্পকে ‘আইসোলেটেড মোডে’ রেখেছে। এর অর্থ, প্রকল্পগুলো জাতীয় গ্রিডের বাইরে থেকে পরিচালিত হচ্ছে এবং শুধু কাছাকাছি এলাকার চাহিদা মেটাতে উৎপাদন করছে।
এদিকে অনুমোদন নবায়ন না করার কারণেও ভারতে নেপালের বিদ্যুৎ রপ্তানি স্থগিত আছে। আপার চামেলিয়া জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে রপ্তানি অনুমোদনের মেয়াদ গত ৩১ জুন শেষ হয়েছে। সেটি রিভার ও আপার তাদি খোলা প্রকল্পে অনুমোদনের মেয়াদ শেষ হয়েছে গত ৩১ জুলাই।
অনুমোদনগুলো নবায়ন না হওয়া পর্যন্ত নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ ভারতে বিদ্যুৎ রপ্তানি করতে পারবে না। এসব অনুমোদন প্রতি বছর নবায়ন করার কথা।
আপনার মোবাইল দিয়ে এই QR কোডটি স্ক্যান করে বিস্তারিত খবরটি অনলাইনে পড়ুন।
https://www.vtvbd.com/national/2026/09/03/newsID_1618/© VTV BD | Bangla News | Latest News | প্রিন্ট/ডাউনলোড: ০৫-০৯-২০২৬, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ