অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ি পানি দিয়ে ধুয়ে আলামত নষ্টের অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। তবে পুলিশ এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বুধবার রাতে গণপতি চক্রবর্তীর হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাসের পরিবারের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করা হয়।
সিদ্ধার্থের ভাই পার্থ দাস অভিযোগ করে বলেন, গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির লাইট বন্ধ করে আলামত নষ্ট করা হচ্ছে। এ জন্য পানি ঢেলে বাড়ি ধুয়ে ফেলা হয়েছে। একই সঙ্গে তার ভাই সিদ্ধার্থ দাসকে এ ঘটনায় ফাঁসানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল হাকিম বলেন, ভুল করে বাড়ির সুইচ অন হয়ে গিয়েছিল। ট্যাংকির পানি ভর্তি হয়ে যাওয়ার পর মোটর বন্ধ করে দেওয়া হয়। আলামত নষ্ট করার অভিযোগ সঠিক নয়।
গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে পানি পড়ার বিষয়ে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, বাড়িটিতে ২৪ ঘণ্টা পুলিশ পাহারা রয়েছে। লাইটের সুইচ অন করতে গিয়ে ভুল করে পানির মোটরের সুইচও অন হয়ে যায়। পুলিশ বাড়িটির ভেতরে কোথায় কী রয়েছে, তা জানে না। এ কারণে ট্যাংকি থেকে পানি উপচে ছাদে পড়ে।
তিনি বলেন, আলামত নষ্ট করার অভিযোগ একেবারেই অবান্তর। লাশ উদ্ধারের সময়ই প্রয়োজনীয় আলামত সংরক্ষণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত শনিবার রাতে রংপুরের একটি তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী বালা, স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী প্রিয়মের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ইয়াবা সেবন দেখে ফেলায় প্রথমে গণপতি চক্রবর্তীকে হত্যা করা হয়। পরে একে একে তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পরদিন রোববার ভোরে একই এলাকা থেকে মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে আটক করা হয়। পরে তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।
আপনার মোবাইল দিয়ে এই QR কোডটি স্ক্যান করে বিস্তারিত খবরটি অনলাইনে পড়ুন।
https://www.vtvbd.com/bangladesh/2026/08/27/newsID_1151/© VTV BD | Bangla News | Latest News | প্রিন্ট/ডাউনলোড: ২৯-০৮-২০২৬, ০৭:১২ পূর্বাহ্ণ