সকল মেনু

সবশেষ

জাতিসংঘের মঞ্চে গাজা, ইসরাইলের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা বিশ্বনেতাদের

ভিটিভি বিডি ডেক্স

ভিটিভি বিডি ডেক্স

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
পড়তে: মিনিট
ফন্ট সাইজ:
0Shares

নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনে গাজা যুদ্ধ নিয়ে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও শীর্ষ নেতারা এই বৈশ্বিক মঞ্চে দাঁড়িয়ে গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরাইলি সামরিক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন।

প্রায় তিন বছর পূর্ণ করতে যাওয়া এই সংঘাতটির কারণে ইসরাইল বর্তমানে মারাত্মক কূটনৈতিক ও আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পড়েছে।

সম্মেলনে বিশ্বনেতারা গাজার পরিস্থিতিকে ‘যুদ্ধাপরাধ’, ‘জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি’, ‘গণহত্যা’ এবং ‘কনসেনট্রেশন ক্যাম্প’-এর সঙ্গে তুলনা করেছেন।

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ০৭ অক্টোবর হামাসের হামলার তীব্র নিন্দা জানানোর পাশাপাশি গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর চালানো ধ্বংসযজ্ঞের সমালোচনা করেন। তিনি সতর্ক করে বলেন যে, পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ ও সহিংসতা জাতিগত নির্মূলের ঝুঁকি তৈরি করছে।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান গাজাকে ‘শিশুদের জন্য বিশ্বের বৃহত্তম কবরস্থান’ ও ‘কনসেনট্রেশন ক্যাম্প’ বলে অভিহিত করেন। কাতার এবং জর্ডানের শীর্ষ নেতারাও গাজার ধ্বংসযজ্ঞকে গণহত্যা ও ফিলিস্তিনিদের অস্তিত্ব মুছে ফেলার গভীর ষড়যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করেন। কাতারের আমীর অবিলম্বে ইসরাইলকে সামরিক অভিযান বন্ধ এবং গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহারের দাবি জানান।

শুধু আরব বা মুসলিম দেশগুলোই নয়, পশ্চিমা মিত্ররাও ইসরাইলের নীতির খোলামেলা সমালোচনা করেছে।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ গাজায় মানবিক করিডোর না খোলায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং পশ্চিম তীরে ইসরাইলি নীতি নিরাপত্তার বদলে উলটো হুমকি বাড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেন।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম ০৭ অক্টোবর হামাসের হামলার নিন্দা জানালেও বলেন যে, এটি গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরাইলের যে কর্মকাণ্ড সেটাকে বৈধতা দেয় না। এ ছাড়া ব্রাজিল, সিরিয়াসহ বিভিন্ন দেশের নেতারাও কড়া ভাষায় ইসরাইলি সরকারের সমালোচনা করেন।

বক্তৃতার মঞ্চের বাইরেও এই ক্ষোভ এখন বাস্তবে রূপ নিতে শুরু করেছে। কাতার, মিশর, জর্ডানসহ আরব ও মুসলিম বিশ্বের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা গাজার মানবিক সংকট নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেছেন।

পাশাপাশি ব্রিটেন, ফ্রান্স ও কানাডাসহ ১২টি পশ্চিমা দেশ ইসরাইলি বসতি অঞ্চল থেকে আসা পণ্যের বাণিজ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পদক্ষেপ নিয়েছে।

 

ফন্ট সাইজ:
0Shares

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।