সকল মেনু

সবশেষ

তেলের দাম বাড়ানো নিয়ে সরকারের ব্যাখ্যা, ‘বাধ্য হয়েই সিদ্ধান্ত

ভিটিভি বিডি ডেক্স

ভিটিভি বিডি ডেক্স

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
পড়তে: মিনিট
ফন্ট সাইজ:
0Shares

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে বাধ্য হয়েই জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করেছে সরকার।

সোমবার সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

প্রসঙ্গত, রোববার রাতে আবার জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার। ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনে লিটার প্রতি ২০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে ডিজেল প্রতি লিটার ১১৫ টাকা থেকে ১৩৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা থেকে ১৬৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা এবং কেরোসিন প্রতি লিটার ১৩৫ টাকা থেকে ১৫৫ টাকা হয়েছে। রোববার রাত ১২টায় দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে।

এ সম্পর্কে বিপিসির চেয়ারম্যান ড. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম অনেক বেড়েছে। এ কারণে বেশি দামে তেল কিনে বিপিসিকে মাসে হাজার হাজার কোটি টাকা লোকসান দিতে হচ্ছে। তাই সরকার বাধ্য হয়ে কিছুটা হলেও তেলের দাম বাড়িয়েছে। অর্থনীতিবিদ ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই দাম বৃদ্ধির ফলে দেশের অর্থনীতি বড় ধরনের ধাক্কা খাবে। বাড়বে সব ধরনের জিনিস পত্রের দাম। এতে মানুষের জীবন মানের ব্যয় বাড়বে। জ্বালানি তেল কিনতে জনগণকে প্রতি মাসে আগের চেয়ে ৯০০ কোটি টাকা থেকে ১ হাজার কোটি টাকা বেশি ব্যয় করতে হবে।

প্রসঙ্গত, তেলের দাম বাড়ানোর রেকর্ড অনুযায়ী এবারের দাম বৃদ্ধি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। ২০২২ সালের ৬ আগস্ট তৎকালীন সরকার জ্বালানি তেলের দাম ৪২ থেকে ৫১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়েছিল। পরে জনরোষে ডিজেলের দাম লিটার প্রতি ৫ টাকা কমিয়ে দেওয়া হয়। আর বর্তমান সরকার প্রথম দফায় গত ১৮ এপ্রিল ডিজেল, অকটেন, পেট্রোলসহ সব ধরনের জ্বালানির দাম ১৫ থেকে ১৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ বাড়িয়েছিল।

ফন্ট সাইজ:
0Shares

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।